আজকের আলোচনার বিষয় উড়োজাহাজের নিয়মাবলি, উড়োজাহাজ সম্পর্কে জানতে হলে উড়োজাহাজের নিয়মাবলি সম্পর্কে জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।

উড়োজাহাজের নিয়মাবলি
উড়োজাহাজে ধূমপান-সংক্রান্ত নিয়মাবলি
মানুষ যত্রতত্র ধূমপান করে। আবার দেখা যায় যানবাহনেও ধূমপান করছে। যদিও উড়োজাহাজে বা এভিয়েশন এরিয়াতে নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া ধূমপান করা যায় না। যদি কেউ করে থাকে পূর্বনির্ধারিত শাস্তি দেওয়া হয়। উড়োজাহাজ উড্ডয়ন, অবতরণ এবং জ্বালানি গ্রহণের সময় ধূমপান করা যাবে না ।
- ধূমপান নিষিদ্ধ স্থানে করা যায় না ।
- নির্দিষ্ট জায়গায় কেবল ধূমপান করা যায় ।
এয়ারক্রাফ্ট উড্ডয়নের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
গাড়ি কিংবা বাইক নিয়ে রাস্তায় বের হলে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সাথে রাখতে হয়। ঠিক তেমনিভাবে নীল আকাশের যানের জন্য মানে উড়োজাহাজ নিয়ে যখন পাইলট ফ্লাই করেন তখন সঙ্গে নিম্নোক্ত কাগজপত্র রাখতে হয় অন্যথায় উড়োজাহাজ ফ্লাই করা নিষেধ কিংবা অন্য দেশে ল্যান্ড করা যাবে না।

যেমন:
১. পাইলটদের লাইসেন্স।
২. রেডিও ইকুইপমেন্ট লাইসেন্স
৩. যাত্রীবাহী উড়োজাহাজের যাত্রীদের নামের তালিকা ও গম্ভব্য স্থানের নাম।
৪. ট্রিম শিট।
৫ রেজিস্ট্রেশন সনদ
৬. উড্ডয়ন উপযোগী সনদ ।
৭. উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়পত্র বা মেইনটেন্যান্স রিলিজ।
৮. ফ্লাইট ম্যানুয়াল
৯. কার্গো বহন করলে এয়ারওয়ে বিল ও মেনিফেস্ট।
১০ উড়োজাহাজের সব ছাড়পত্রসহ শব্দের সনদ।
ঘুড়ি ওড়ানো সংক্রান্ত আইন
ঘুড়ি ওড়ানোর ক্ষেত্রে রয়েছে নির্দিষ্ট নিয়মাবলি যা মেনে ঘুড়ি ওড়ানো যায় । যেমন: ঘুড়ি ওড়ানোর জন্য সিভিল এভিয়েশন অথরিটি থেকে অনুমতি নিতে হবে।
নিয়ন্ত্রণযোগ্য বেলুন ও মুড়ি (৯১) মিটারের ওপড়ে ওড়ানো নিষেধ।
বিমানবন্দরের ৪ হাজার মিটারের মধ্যে কোনো প্রকার ঘুড়ি ওড়ানো নিষেধ।
আকাশ যদি পরিচ্ছন্ন বা মেঘবিহীন না হয় তাহলে ঘুড়ি ওড়ানো নিষেধ।
উপরোক্ত নিয়মাবলির কারণ হলো যেন কোনো প্রকার দুর্ঘটনা না হয় সে জন্যই নিয়মগুলো মাথায় রেখে ঘুড়ি ওড়াতে হবে। যেন একজনের জন্য শত মানুষের জীবন বিপন্ন না হয় ।

কীভাবে উড়োজাহাজের রেজিস্ট্রেশন পাওয়া যাবে?
প্রতিটি দেশের সিভিল এভিয়েশন অথরিটি উড়োজাহাজের রেজিস্ট্রেশন দিয়ে থাকে। এ ছাড়া আরও অনুমোদন নিতে হয় বিভিন্ন অথরিটি থেকে । ঠিক তেমনিভাবে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের চেয়ারম্যান অনুমোদন দিয়ে থাকেন। উড়োজাহাজের রেজিস্ট্রেশন পেতে হলে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সম্পন্ন করতে হবে বা থাকতে হবে। বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
বাংলাদেশে রেজিস্ট্রেশন প্রাপ্ত এমন কোনো কোম্পানি যারা ব্যবসা করছে । বিদেশি কোনো কোম্পানি যার সঠিক ব্যবসা কিংবা বাংলাদেশ সরকারের সাথে চুক্তিবদ্ধ আছে এবং যার চুক্তির মেয়াদকাল কমপক্ষে ৬ মাস হতে হবে।
অন্য কোনো দেশে রেজিস্ট্রেশনকৃত কোনো কোম্পানি যদি উড়োজাহাজের রেজিস্ট্রেশন পেতে চায় সেই কোম্পানির মূল ব্যবসা বাংলাদেশে থাকতে হবে এবং কোম্পানির পরিচালক হতে হবে একজন বাংলাদেশি। আর এসব সম্পন্ন করতে পারলেই পাবে উড়োজাহাজের রেজিস্ট্রেশন।