হেলিকপ্টার আবিষ্কার

আজকের আলোচনার বিষয় হেলিকপ্টার আবিষ্কার, আধুনিক হেলিকপ্টার আবিষ্কারের পেছনে রয়েছে অনেক অজানা তথ্য ও প্রচেষ্টা। উড়োজাহাজের আবিষ্কারের ইতিহাস জানতে গিয়ে লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চির আকাশযান সম্পর্কে ধারণা দেওয়ার কথা। ঠিক তেমনিভাবে ১৪৮৩ খ্রিষ্টাব্দে বিজ্ঞানী লিওনার্দো দ্য ভিঞ্চি ধারণা এবং চিত্রায়ণ করে, যা সোজা উপরে উঠতে সক্ষম এবং এ ধারণার ওপর ভিত্তি করে প্রথম অটোজায়রোপ্লেন ও পরে জুয়ান ডিলা সিভা স্পেনিশ একটি আকাশযান তৈরি করেন ।

হেলিকপ্টার আবিষ্কার

হেলিকপ্টার আবিষ্কার

 

যার উপরে ছিল ইঞ্জিনচালিত প্রপেলার, যা আকাশযানের উত্তোলন বল তৈরি করে এরপর শুরু হয় অনেক গবেষণা ও পরীক্ষা, নিরীক্ষা। এরপরেই হেলিকপ্টার আবিষ্কারের যাত্রা শুরু হয়।

ব্যতিক্রমী আকাশযান

হেলিকপ্টার সত্যিই একটি ব্যতিক্রমী আকাশযান। কারণ, এটি বাতাসের চেয়ে ভারী ইঞ্জিনচালিত যান। হেলিকপ্টার বা রোটোক্রান্ট খুব সহজেই যেকোনো স্থান থেকে সোজাসুজি উপরে উঠতে বা নিচে নামতে পারে। শুধু তাই নয়, এটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় উঠে স্থিরভাবে অবস্থান করতে পারে।

যেকোনো পরিস্থিতিতে সামনে কিংবা পেছনে যেতে পারে যা অন্য কোনো আকাশযানে এসব কৌশল অবলম্বন করতে পারে না। হেলিকপ্টার খুব সহজেই এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যেতে পারে, যেমন: ধরো, কোনো বিপদজ্জনক কিংবা দুর্গম জায়গায় দুর্গতদের সাহায্য ও সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে সামরিক কিংবা বেসামরিক কাজে প্রশিক্ষণ এবং কোনো স্থান পর্যবেক্ষণসহ অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত হয়।

হেলিকপ্টার উড়ার কৌশল

অন্যান্য উড়োজাহাজের মতোই হেলিকপ্টার ৪টি বলের উপর নির্ভর করে নীল আকাশে উড়ে বেড়ায়। যদিও উড়োজাহাজের মতো অধিক উচ্চতায় উড়তে পারে না। কারণ, তা অনেকটাই বিপদজ্জনক।

 

হেলিকপ্টার আবিষ্কার

 

হেলিকপ্টার ৪টি বলের ওপর ভিত্তি করে ওড়ে।

১. উত্তোলন বল বা লিপট

২. থ্রাস্ট

৩. ওয়েট বা ওজন বল

৪. ড্রাগ বা রোধক বল ।

প্রপেলার ব্লেডের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা

হেলিকপ্টার বা রোটোক্রাফট বলা হয় কারণ এটি রোটারি মোশন বা বোটারি উইং নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে উপরে উড়তে সক্ষম। রোটারি উইং নিয়ন্ত্রিত হয় হেলিকপ্টারের প্রপেলার ব্লেডের অবস্থান ও কৌণিক মান নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে এবং ইঞ্জিন দ্বারা যদি প্রপেলার ঘোরানো হয় তখন হেলিকপ্টারের উড্ডয়ন বল তৈরি হয়।

 

হেলিকপ্টার আবিষ্কার

 

যেমন:

১. সোজা উপরে উঠতে নিয়ন্ত্রক বল

২. সামনে বা পেছনে যাওয়া নিয়ন্ত্রক বল ।

৩. ডান বা বাঁ দিকে যাওয়া নিয়ন্ত্রক বল ।

এভাবেই হেলিকপ্টার উড্ডয়ন করে থাকে।

হেলিকপ্টার তৈরি কোম্পানির নাম

পৃথিবীর উন্নত তিনটি রাষ্ট্রে বেশিরভাগ হেলিকপ্টার তৈরি হয়ে থাকে ইউনাইটেড স্টেট, জাপান, রাশিয়া এবং আরও কিছু দেশের বিভিন্ন কোম্পানি তৈরি করে থাকে । যেমন বোয়িং, লকহেড মাট্রিন, রবিনসন হেলিকপ্টার কোম্পানী, ফুজি হেবি ইন্ডাস্ট্রি এ ছাড়া আরও অনেক কোম্পানি রয়েছে, যারা বিভিন্ন মডেলের হেলিকপ্টার তৈরি করে থাকে।

সামরিক উড়োজাহাজ

মিলিটারি উড়োজাহাজ, বাণিজ্যিক উড়োজাহাজের মতো না। মিলিটারি উড়োজাহাজ খুব হেবি হয়ে থাকে, কারণ এগুলো সামরিক কাজে, যুদ্ধ এবং দেশের যেকোনো পরিস্থিতিতে খুব দ্রুত এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়। যেমন ধরো, যুদ্ধের সময় ফাইটার, দুর্গতদের কাছে সাহায্য পৌঁছে দিতে কার্গো উড়োজাহাজ ব্যবহৃত হয় ।

সামরিক উড়োজাহাজ খুব শক্তিশালী হয় এবং খুব দ্রুত অন্যত্র যেতে পারে। দেশের আকাশ শত্রুমুক্ত করতে কাজ করে। একটি ফাইটার এয়ারক্রাফ্ট প্রাথমিকভাবে এয়ার টু এয়ার যুদ্ধের জন্য তৈরি করা হয়। আবার নির্দিষ্ট যুদ্ধের জন্যও ডিজাইন করা হয় কিছু মিলিটারি উড়োজাহাজের নাম নিচে দেওয়া হল:

 

হেলিকপ্টার আবিষ্কার

 

১. F-15E Strike Eagle

২. F-12 Repotor

৩. A-10 Thundebolt (II)

8 F-35A Lighthing (II)

কিছু ফাইটার উড়োজাহাজের শ্রেণিবিভাগ নিম্নে দেওয়া হলো:

১. Air Superiority Fighter

২. Fighter bomber

৩. Heavy Fighter

৪. Interceptor

৫. Light Fighter

৬. All Weather Fighter

৭. Strategic Fighter

৮. Reconnaissance

Leave a Comment